ইউজিসি চেয়ারম্যান জানান, আন্তর্জাতিক ও দেশীয় র্যাঙ্কিংয়ের ফলাফল বিবেচনায় নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর বাজেট বরাদ্দ নির্ধারণ করা হবে। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক র্যাঙ্কিংয়ের পাশাপাশি দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর জন্য একটি নিজস্ব ও কার্যকর দেশীয় র্যাঙ্কিং ব্যবস্থা প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এর মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মান ও সক্ষমতা মূল্যায়নের পাশাপাশি অগ্রাধিকারভিত্তিতে কোন বিশ্ববিদ্যালয়কে কতটা গুরুত্ব ও বরাদ্দ দেওয়া হবে, সে বিষয়ে একটি সুস্পষ্ট কাঠামো তৈরি করা সম্ভব হবে।

আন্তর্জাতিক র্যাঙ্কিংয়ের পাশাপাশি দেশীয় মানদণ্ডে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অবস্থান বিবেচনা করে বাজেট বরাদ্দ দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ।
শনিবার (২৯ আগস্ট) রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) কাজী নজরুল ইসলাম মিলনায়তনে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
ইউজিসি চেয়ারম্যান বলেন, আন্তর্জাতিক ও দেশীয় র্যাঙ্কিং বিবেচনায় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর বাজেট বরাদ্দ করা হবে। আন্তর্জাতিক র্যাঙ্কিংয়ের পাশাপাশি দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর জন্য একটি নিজস্ব ও কার্যকর দেশীয় র্যাঙ্কিং ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মান ও সক্ষমতা বিবেচনা করে অগ্রাধিকার নির্ধারণ করা সম্ভব হবে।
দেশীয় র্যাঙ্কিং ব্যবস্থা চালুর গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, এ বিষয়ে কাজ চলছে। শিগগিরই এর ফলাফল দেখতে পাওয়া যাবে। দেশীয় মানদণ্ডে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সক্ষমতা ও মান মূল্যায়ন করা গেলে অগ্রাধিকারভিত্তিতে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তা ও বরাদ্দ নির্ধারণের সুযোগ তৈরি হবে। একই সঙ্গে শিক্ষা ও গবেষণার মানোন্নয়নে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে একটি ইতিবাচক ও প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ গড়ে উঠবে।
এ সময় দ্বিতীয় ভাষা শিক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ করেন ইউজিসি চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, দ্বিতীয় ভাষা শিক্ষা আমাদের অন্যতম অগ্রাধিকার। ইতোমধ্যে দেশের ৩০টিরও বেশি বিশ্ববিদ্যালয়ে দ্বিতীয় ভাষাকে গুরুত্ব দিয়ে ভাষা শিক্ষা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়েও একটি ভাষা ইনস্টিটিউট রয়েছে। এটিকে আরও সমৃদ্ধ করা হবে, যাতে শিক্ষার্থীদের ভাষা শেখার জন্য আরও উন্নত ও কার্যকর সুযোগ তৈরি করা
বিশ্ববিদ্যালয়ের বাজেট বরাদ্দ কীসের ভিত্তিতে দেওয়া হবে?
আন্তর্জাতিক ও দেশীয় র্যাঙ্কিং বিবেচনা করে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর বাজেট বরাদ্দ দেওয়া হবে।
দেশীয় র্যাঙ্কিং ব্যবস্থা কেন চালু করা হচ্ছে?
দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মান ও সক্ষমতা মূল্যায়ন করে অগ্রাধিকার নির্ধারণের জন্য দেশীয় র্যাঙ্কিং ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
দেশীয় র্যাঙ্কিং ব্যবস্থা কবে চালু হতে পারে?
ইউজিসি চেয়ারম্যান জানিয়েছেন, এ বিষয়ে কাজ চলছে এবং দ্রুতই এর ফলাফল দেখা যাবে।
র্যাঙ্কিংয়ের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো কী সুবিধা পাবে?
বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শিক্ষা ও গবেষণার মান বিবেচনা করে অগ্রাধিকার নির্ধারণ এবং প্রয়োজন অনুযায়ী বরাদ্দ দেওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।
দ্বিতীয় ভাষা শিক্ষায় ইউজিসির কী উদ্যোগ রয়েছে?
ইতোমধ্যে ৩০টিরও বেশি বিশ্ববিদ্যালয়ে দ্বিতীয় ভাষাকে গুরুত্ব দিয়ে ভাষা শিক্ষা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাষা ইনস্টিটিউটকেও আরও সমৃদ্ধ করার উদ্যোগ রয়েছে।
উপসংহার
বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মান, সক্ষমতা ও গবেষণার কার্যক্রম বিবেচনায় এনে আন্তর্জাতিক ও দেশীয় র্যাঙ্কিংভিত্তিক বাজেট বরাদ্দের উদ্যোগ উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। পাশাপাশি দেশীয় র্যাঙ্কিং ব্যবস্থা চালু হলে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে শিক্ষা ও গবেষণার ক্ষেত্রে ইতিবাচক প্রতিযোগিতা বাড়বে এবং প্রতিষ্ঠানগুলোর উন্নয়নে অগ্রাধিকার নির্ধারণ আরও কার্যকর হবে।





