সকলকে অনুরোধ করা হচ্ছে, অসত্য ও বিভ্রান্তিকর সংবাদের প্রতি আস্থা না রেখে যাচাই-বাছাই করে তথ্য গ্রহণ করুন এবং গুজব ছড়ানো থেকে বিরত থাকুন।

শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনকে উদ্ধৃত করে বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত ‘প্রতিটি সংসদীয় আসনে বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের পরিকল্পনা সরকারের’ শিরোনামের সংবাদকে অসত্য, ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর বলে জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
সোমবার (১৫ জুন) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, উক্ত সংবাদটি মন্ত্রণালয়ের নজরে এসেছে এবং এতে মন্ত্রীর বক্তব্য ভুলভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট অনুষ্ঠানে মন্ত্রী বলেন যে, সংসদ সদস্যরা প্রায়ই নিজ নিজ এলাকায় উচ্চবিদ্যালয়, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সুপারিশ নিয়ে আসেন; তবে প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সুপারিশ তুলনামূলকভাবে কম করেন। একই অনুষ্ঠানে তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, দেশের প্রতিটি গ্রামে প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপনের লক্ষ্য নিয়ে সরকার কাজ করছে।
এ প্রেক্ষাপটে শিক্ষা মন্ত্রণালয় জনসাধারণকে বিভ্রান্তিকর ও অসত্য তথ্য থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে এবং যেকোনো সংবাদ বিশ্বাস করার আগে তা যাচাই করার অনুরোধ করেছে।
. শিক্ষা মন্ত্রণালয় কোন সংবাদটিকে অসত্য বলে জানিয়েছে?
শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ‘প্রতিটি সংসদীয় আসনে বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের পরিকল্পনা সরকারের’ শিরোনামে প্রচারিত সংবাদটি অসত্য, ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর।
সংবাদটিতে কাকে উদ্ধৃত করা হয়েছিল?
সংবাদটিতে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনকে উদ্ধৃত করা হয়েছিল।
মন্ত্রীর প্রকৃত বক্তব্য কী ছিল?
মন্ত্রী বলেন, সংসদ সদস্যরা প্রায়ই তাদের এলাকায় হাইস্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সুপারিশ নিয়ে আসেন, তবে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বিষয়ে তুলনামূলকভাবে কম সুপারিশ করেন।
দেশের প্রতিটি গ্রামে কী স্থাপনের কথা বলেছেন মন্ত্রী?
মন্ত্রী জানিয়েছেন, দেশের প্রতিটি গ্রামে প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপনের লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে।
এ বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আহ্বান কী?
শিক্ষা মন্ত্রণালয় জনগণকে অসত্য ও বিভ্রান্তিকর সংবাদে বিভ্রান্ত না হয়ে তথ্য যাচাই করে গ্রহণ করার আহ্বান জানিয়েছে।
উপসংহার
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের স্পষ্টীকরণ অনুযায়ী, প্রতিটি সংসদীয় আসনে বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের বিষয়ে প্রচারিত সংবাদটি সঠিক নয়। মন্ত্রীর বক্তব্য ভুলভাবে উপস্থাপনের ফলে এ বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়েছে। তাই জনসাধারণকে যাচাই-বাছাই ছাড়া কোনো তথ্য বিশ্বাস বা প্রচার না করে নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে তথ্য গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।