হরিপুর দূর্গাদাস হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ : শতবর্ষী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ১

হরিপুর দূর্গাদাস হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ : শতবর্ষী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ১

প্রতিষ্ঠানটি ‘হরিপুর দুর্গাদাস ইনস্টিটিউট’ নামে যাত্রা শুরু করে এবং পরবর্তীতে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকাভুক্ত হয়। স্বাধীনতার পর ১৯৭২ খ্রিষ্টাব্দে প্রতিষ্ঠানটির নাম পরিবর্তন করে ‘হরিপুর দুর্গাদাস উচ্চ বিদ্যালয়’ রাখা হয়। এরপর ১৯৮৪ খ্রিষ্টাব্দের ১ জানুয়ারি প্রতিষ্ঠানটি এমপিওভুক্তির স্বীকৃতি লাভ করে। স্থানীয়দের উদ্যোগে ১৯৯৯ খ্রিষ্টাব্দে প্রতিষ্ঠানটিতে একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির পাঠদান চালু করা হয়। পরবর্তীতে ২০০৪ খ্রিষ্টাব্দের মে মাসে প্রতিষ্ঠানটির কলেজ শাখাও এমপিওভুক্ত হ

বাংলা সাহিত্যে চলিত ভাষার প্রবর্তক কথাসাহিত্যিক প্রমথ চৌধুরীর পিতা এবং জমিদার দুর্গাদাস চৌধুরীর স্মৃতি সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত হয় হরিপুর দুর্গাদাস ইনস্টিটিউট। স্থানীয় এলাকায় শিক্ষার প্রসার ঘটাতে দুর্গাদাস চৌধুরীর পরিবারের উদ্যোগে এবং বাড়িসংলগ্ন জমিতে এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম শুরু হয়।

দুর্গাদাস চৌধুরীর মৃত্যুর পর তাঁর সাত ছেলে ও দুই মেয়েসহ পরিবারের সদস্যরা যৌথভাবে ১৯২৪ খ্রিষ্টাব্দের ২৯ জুন ৫২ শতাংশ অখণ্ড জমি দান করেন। ওই জমিতে বিদ্যালয়ের ঘর নির্মাণ করা হয়। পরবর্তীতে ১৯২৫ খ্রিষ্টাব্দের ১ জানুয়ারি শিক্ষার্থী ভর্তি কার্যক্রমের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটির আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়।

হরিপুর দুর্গাদাস ইনস্টিটিউট পাবনা জেলার চাটমোহর উপজেলার হরিপুর ইউনিয়নের হরিপুর গ্রামে অবস্থিত। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ হিসেবে পরিচালিত হচ্ছে। এর EIIN নম্বর ১২৫৪৫৬। প্রতিষ্ঠানটির স্কুল ও কলেজ—উভয় শাখাই এমপিওভুক্ত।

বর্তমানে হরিপুর দুর্গাদাস ইনস্টিটিউটে ১ হাজার ২৫৫ জন শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে। তাদের পাঠদানে দায়িত্ব পালন করছেন ৪৬ জন শিক্ষক-কর্মচারী। এছাড়া বিগত বছরগুলোতে প্রতিষ্ঠানটির বিভিন্ন পাবলিক পরীক্ষার ফলাফলও সন্তোষজনক বলে জানা গেছে।

হরিপুর দুর্গাদাস ইনস্টিটিউট’ নামে যাত্রা শুরু করা প্রতিষ্ঠানটি একসময় কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকাভুক্ত হয়। স্বাধীনতার পর ১৯৭২ খ্রিষ্টাব্দে এর নাম পরিবর্তন করে ‘হরিপুর দুর্গাদাস উচ্চ বিদ্যালয়’ রাখা হয়। পরবর্তীতে ১৯৮৪ খ্রিষ্টাব্দের ১ জানুয়ারি প্রতিষ্ঠানটি এমপিওভুক্ত হয়। স্থানীয়দের উদ্যোগে ১৯৯৯ খ্রিষ্টাব্দে বিদ্যালয়ে একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি চালু করা হয়। এরপর ২০০৪ খ্রিষ্টাব্দের মে মাসে কলেজ শাখাও এমপিওভুক্ত হয়।

প্রধান শিক্ষক ও অধ্যক্ষদের দায়িত্বকাল

প্রতিষ্ঠার পর থেকে এ পর্যন্ত প্রধান শিক্ষক ও অধ্যক্ষ হিসেবে ১৬ জন দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁদের দায়িত্ব পালনের সময়কাল হলো—

১. ১ জানুয়ারি ১৯২৫ থেকে ১৯৩৪ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত প্রধান শিক্ষক ছিলেন রামলাল মৈত্র।
২. ১৯৩৪ থেকে ১৯৪৮ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত অনিল কুমার চৌধুরী।
৩. ১৯৪৮ থেকে ১৯৬৪ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত শিবু প্রসাদ ভট্টাচার্য।
৪. ১৯৬৪ থেকে ১৯৬৬ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত খন্দকার তোফাজ্জল হোসেন।
৫. ১৯৬৬ থেকে ১৯৭০ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত আখলাক হোসেন।
৬. ১৯৭০ থেকে ১৯৭২ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত কল্যাণ চৌধুরী।
৭. ১৯৭২ থেকে ১৯৭৩ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত মো. আবেদুর রহমান।
৮. ১৯৭৩ খ্রিষ্টাব্দে আহম্মদ আলী দায়িত্ব পালন করেন।
৯. ১৯৭৪ থেকে ১৯৭৫ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত মো. মোজাম্মেল হক সরকার।
১০. ১৯৭৫ থেকে ১৯৮৬ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত খন্দকার আব্দুস সামাদ।
১১. ১৯৮৬ থেকে ১৯৮৮ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে মো. আবুল হোসেন।
১২. ১৯৮৮ থেকে ১৪ মে ১৯৯৭ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত গোলাম ইয়াছিন।
১৩. ১৫ মে ১৯৯৭ থেকে ২০ সেপ্টেম্বর ১৯৯৭ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ছিলেন মো. আবুল হোসেন।
১৪. ২১ সেপ্টেম্বর ১৯৯৭ থেকে ৩১ ডিসেম্বর ১৯৯৮ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত প্রধান শিক্ষক এবং ১ জানুয়ারি ১৯৯৯ থেকে ২৪ জানুয়ারি ২০১৮ পর্যন্ত অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মো. মহিউদ্দিন মিঞা।
১৫. ২৫ জানুয়ারি ২০১৮ থেকে ২৪ মার্চ ২০১৮ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্বে ছিলেন মো. মোকলেছুর রহমান।
১৬. ২৫ মার্চ ২০১৮ খ্রিষ্টাব্দ থেকে অদ্যাবধি অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন মুহম্মদ আলী হায়দার সরদার।

অবকাঠামো ও গ্রন্থাগার

প্রতিষ্ঠানটির নিজস্ব জমির পরিমাণ ৪ একর ৪০ শতাংশ। এর মধ্যে প্রতিষ্ঠালগ্নে জমিদার পরিবারের দান করা ৫২ শতাংশ জমিসহ মোট ২ একর ২৫ শতাংশ এবং খণ্ডিত নিষ্কণ্টক জমি রয়েছে ২ একর ৫ শতাংশ।

বর্তমানে প্রতিষ্ঠানে একটি চারতলা ভবন, তিনটি দুইতলা ভবন, তিনটি টিনশেড ভবন এবং একটি টিনশেড মসজিদ রয়েছে। পাশাপাশি শিক্ষক মিলনায়তন, ছাত্র ও ছাত্রীদের পৃথক কমন রুম, গ্রন্থাগার, অফিস কক্ষ ও অধ্যক্ষের কক্ষ রয়েছে।

প্রতিষ্ঠানটির রয়েছে সমৃদ্ধ একটি গ্রন্থাগার। সেখানে তিন হাজারের বেশি বই রয়েছে, যা শিক্ষার্থীদের পাঠাভ্যাস ও জ্ঞানচর্চায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

শিক্ষার্থী ও শিক্ষক-কর্মচারী

বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটিতে মোট ১ হাজার ২৫৫ জন শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে। এর মধ্যে ষষ্ঠ শ্রেণিতে ২১৫ জন, সপ্তম শ্রেণিতে ১৯৩ জন, অষ্টম শ্রেণিতে ১৬৭ জন, নবম শ্রেণিতে ১৮২ জন, দশম শ্রেণিতে ১৯৮ জন, একাদশ শ্রেণিতে ১৪৮ জন এবং দ্বাদশ শ্রেণিতে ১৫২ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। নবম ও দশম শ্রেণিতে মানবিক, বিজ্ঞান ও ব্যবসায় শিক্ষা শাখায় পাঠদান করা হয়।

অধ্যক্ষ ছাড়াও প্রতিষ্ঠানটিতে ১৬ জন সহকারী অধ্যাপক, ৩ জন প্রভাষক, ১১ জন সহকারী শিক্ষক, একজন শরীরচর্চা শিক্ষক, একজন সহকারী গ্রন্থাগারিক, ২ জন প্রদর্শক, ২ জন ল্যাব সহকারী, ৩ জন অফিস সহকারী এবং ৫ জন এমএলএসএস কর্মরত রয়েছেন। তাঁদের সবাই এমপিওভুক্ত।

প্রতিষ্ঠার ইতিহাস নিয়ে স্থানীয়দের বক্তব্য

জমিদার পরিবারের প্রতিবেশী এবং প্রতিষ্ঠানটির অদূরে বসবাসকারী ৮২ বছর বয়সী বাবু প্রদ্যুত কুমার চৌধুরী দৈনিক আমাদের বার্তাকে বলেন, তাঁর বাবা-দাদারাও এই প্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা করেছেন। তাঁর বাবার কাছ থেকে তিনি জানতে পেরেছেন, জমিদার দুর্গাদাস চৌধুরীর মৃত্যুর পর ১৯২৫ খ্রিষ্টাব্দে তাঁদের পরিবারই বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করে।

তবে নিজের কোনো সনদ দেখাতে না পারলেও তিনি ২৬ ডিসেম্বর ১৯৪৯ খ্রিষ্টাব্দে স্বাক্ষর করা একটি টেস্টিমোনিয়াল দেখান। ওই সনদে ব্যবহৃত সিলমোহরে ‘স্থাপিত-১৯২৫’ লেখা রয়েছে।

প্রতিষ্ঠানটির বর্তমান অধ্যক্ষ মুহম্মদ আলী হায়দার সরদার বলেন, অধ্যক্ষ মো. মহিউদ্দিন মিঞা আকস্মিকভাবে মৃত্যুবরণ করার পর তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তাঁর বাবা মরহুম আলী আকবর সরদার হরিপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলেন। বাবার কাছ থেকেও তিনি প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাকাল ১৯২৫ খ্রিষ্টাব্দ বলে জেনেছেন।

অধ্যক্ষ আরও বলেন, দাপ্তরিক কাগজপত্র, সাইনবোর্ডসহ প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন নথি ও স্থানে ১৯২৫ খ্রিষ্টাব্দকে প্রতিষ্ঠাকাল হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এসব তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠানটির বয়স বর্তমানে ১০১ বছর বলে তিনি জানান।

সরকারিকরণের দাবি

প্রতিষ্ঠানটির সুনাম অক্ষুণ্ন রাখা এবং শিক্ষার গুণগত মান আরও উন্নত করার লক্ষ্যে সরকারিকরণের দাবি জানিয়েছেন অধ্যক্ষ মুহম্মদ আলী হায়দার সরদার।

তিনি বলেন, শতবর্ষের ঐতিহ্যবাহী এ প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘদিন ধরে এলাকার শিক্ষার্থীদের শিক্ষা দিয়ে আসছে। প্রতিষ্ঠানের শিক্ষা কার্যক্রম আরও বিস্তৃত ও মানসম্মত করতে সরকারিকরণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

শতবর্ষ পেরিয়ে শিক্ষার আলো ছড়াচ্ছে

প্রতিষ্ঠার পর এক শতাব্দী পেরিয়ে গেলেও আজও শিক্ষার আলো ছড়িয়ে যাচ্ছে হরিপুর দুর্গাদাস হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ। সময়ের সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির অবকাঠামো, শিক্ষার্থী সংখ্যা ও শিক্ষা কার্যক্রম যেমন বেড়েছে, তেমনি এর পরিধিও বিস্তৃত হয়েছে।

শতবর্ষ আগে যে লক্ষ্য নিয়ে প্রতিষ্ঠানটির যাত্রা শুরু হয়েছিল—এলাকায় শিক্ষার বিস্তার—সেই লক্ষ্যেই প্রতিষ্ঠানটি এখনো এগিয়ে চলছে। জমিদার পরিবারের উদ্যোগে শুরু হওয়া শিক্ষার সেই ছোট্ট প্রয়াস আজ পরিণত হয়েছে হাজারো শিক্ষার্থীর শিক্ষা ও স্বপ্নপূরণের ঠিকানায়।

শিক্ষাসহ সব খবর সবার আগে জানতে দৈনিক শিক্ষাডটকমের ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গে থাকুন। ভিডিওগুলো মিস করতে না চাইলে এখনই দৈনিক শিক্ষাডটকমের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন এবং বেল বাটনে ক্লিক করুন। বেল বাটন চালু করলে আপনার স্মার্টফোন বা কম্পিউটারে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নতুন ভিডিওর নোটিফিকেশন পৌঁছে যাবে।

হরিপুর দুর্গাদাস হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?

হরিপুর দুর্গাদাস হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রতিষ্ঠাকাল ১৯২৫ খ্রিষ্টাব্দ। ১ জানুয়ারি শিক্ষার্থী ভর্তির মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটির আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়।

হরিপুর দুর্গাদাস হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ কোথায় অবস্থিত?

প্রতিষ্ঠানটি পাবনা জেলার চাটমোহর উপজেলার হরিপুর ইউনিয়নের হরিপুর গ্রামে অবস্থিত।

প্রতিষ্ঠানটির নাম হরিপুর দুর্গাদাস ইনস্টিটিউট থেকে পরিবর্তন করে কী রাখা হয়?

স্বাধীনতার পর ১৯৭২ খ্রিষ্টাব্দে প্রতিষ্ঠানটির নাম পরিবর্তন করে ‘হরিপুর দুর্গাদাস উচ্চ বিদ্যালয়’ রাখা হয়।

বর্তমানে হরিপুর দুর্গাদাস হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজে কতজন শিক্ষার্থী রয়েছে?

বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটিতে মোট ১ হাজার ২৫৫ জন শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত।

হরিপুর দুর্গাদাস হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রতিষ্ঠাকাল কত বছর?

১৯২৫ খ্রিষ্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত হওয়ায় ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দে প্রতিষ্ঠানটি ১০১ বছরে পদার্পণ করেছে

উপসংহার

শতবর্ষের দীর্ঘ পথচলায় হরিপুর দুর্গাদাস হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ স্থানীয় শিক্ষাবিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে। ঐতিহ্য, অভিজ্ঞতা ও সময়ের সঙ্গে পরিবর্তিত শিক্ষা কার্যক্রমকে ধারণ করে প্রতিষ্ঠানটি আজ হাজারো শিক্ষার্থীর জ্ঞানচর্চা ও স্বপ্নপূরণের অন্যতম কেন্দ্র। ভবিষ্যতেও শিক্ষার মানোন্নয়ন, আধুনিক অবকাঠামো ও গুণগত শিক্ষা নিশ্চিত করার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি তার ঐতিহ্য ধরে রাখবে—এমন প্রত্যাশা সংশ্লিষ্ট সবার।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top