
সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলায় নয় বছর বয়সী এক শিক্ষার্থীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে মো. সেলিম হোসেন মোড়ল (৩৬) নামের এক প্রাইভেট শিক্ষককে আটক করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ছয়টার দিকে শিশুটির দাদা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করলে তাৎক্ষণিকভাবে তাকে আটক করা হয়।
পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার বড়দল ইউনিয়নের গোয়ালডাঙ্গা গ্রামের বাসিন্দা সেলিম হোসেন প্রতিদিন সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের প্রাইভেট পড়াতেন। অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি পাঠদানের সময় বিভিন্ন অজুহাতে শিক্ষার্থীদের আলাদা করে ডেকে নিয়ে অনাকাঙ্ক্ষিত আচরণ করতেন। ভয়ের কারণে শিশুরা বিষয়টি এতদিন কাউকে জানাতে পারেনি।
অভিযোগে আরও বলা হয়, ঘটনার দিন সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীকে রান্নাঘরে পাঠানো হলে সেখানে সে শ্লীলতাহানির শিকার হয়। পরে বাসায় ফিরে শিশুটি কান্নাকাটি করলে তার নানীর জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনাটি প্রকাশ পায়। এরপর পরিবারের সদস্যরা রাতেই আশাশুনি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
আশাশুনি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সামসুল আরেফিন জানিয়েছেন, অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্তকে আটক করা হয়েছে। বর্তমানে তিনি থানার হেফাজতে রয়েছেন এবং ঘটনার তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর
ঘটনাটি কোথায় ঘটেছে?
ঘটনাটি সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার একটি এলাকায় ঘটেছে।
অভিযুক্ত ব্যক্তি কে?
অভিযুক্ত মো. সেলিম হোসেন মোড়ল, যিনি একজন প্রাইভেট শিক্ষক।
অভিযোগটি কী ধরনের?
তার বিরুদ্ধে এক শিক্ষার্থীকে যৌন হয়রানি ও শ্লীলতাহানির অভিযোগ আনা হয়েছে।
কীভাবে বিষয়টি প্রকাশ পায়?
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী বাসায় ফিরে কান্নাকাটি করলে পরিবারের জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনাটি প্রকাশ পায়।
বর্তমানে অভিযুক্তের অবস্থা কী?
পুলিশ তাকে আটক করেছে এবং তিনি বর্তমানে থানার হেফাজতে আছেন; তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উপসংহার
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তিগত শিক্ষাদানের পরিবেশে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এমন অভিযোগ সামনে এলে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের বিচারের আওতায় আনা জরুরি। একইসঙ্গে অভিভাবক ও সমাজের সচেতনতা বৃদ্ধি করে শিশুদের নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।





