শিক্ষিত নারীদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে: তারেক রহমান

শিক্ষিত নারীদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে: তারেক রহমান

তারেক রহমান আরও বলেন, আমাদের তরুণ সমাজ অত্যন্ত মেধাবী ও সৃজনশীল। ফেসবুক ও টিকটকসহ বিভিন্ন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে তাদের প্রতিভার বহিঃপ্রকাশ স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছে। এই সম্ভাবনাকে কার্যকরভাবে কাজে লাগাতে উপযুক্ত নীতিমালা প্রণয়ন জরুরি। পাশাপাশি, তাদের সৃজনশীল কাজ থেকে কীভাবে টেকসই আয়ের সুযোগ সৃষ্টি করা যায়, সে বিষয়েও আমরা গুরুত্ব সহকারে ভাবছি।

বিএনপির নতুন চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, বেগম রোকেয়া নারী শিক্ষার প্রসারে আন্দোলন গড়ে তুলেছিলেন। পরবর্তী সময়ে মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া নারী শিক্ষায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি সাধন করেন। তিনি বলেন, আমরা যদি ক্ষমতায় এসে সরকার গঠন করতে পারি, তাহলে শিক্ষিত নারীদের জন্য টেকসই কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

শনিবার (১০ জানুয়ারি) রাজধানীর বনানীর একটি হোটেলে সাংবাদিকদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

তারেক রহমান আরও বলেন, আমাদের তরুণ সমাজ অত্যন্ত প্রতিভাবান ও সৃজনশীল। ফেসবুক ও টিকটকসহ বিভিন্ন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে তাদের কাজের মাধ্যমে সেই প্রতিভার স্পষ্ট প্রমাণ পাওয়া যায়। এসব কর্মকাণ্ডকে আরও কার্যকর ও টেকসই করতে উপযুক্ত নীতিমালা প্রণয়ন জরুরি। একই সঙ্গে তরুণরা কীভাবে এসব কাজের মাধ্যমে নিয়মিত ও সম্মানজনক আয় করতে পারবেন, সে বিষয়েও আমরা গুরুত্বের সঙ্গে চিন্তাভাবনা করছি।

তিনি উপস্থিত অতিথিদের উদ্দেশে বলেন, যারা দেশে অবস্থান করছেন তারা নিঃসন্দেহে বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি আমার চেয়ে ভালোভাবে জানেন। তবে আমি যে একেবারেই বিষয়গুলো সম্পর্কে অজ্ঞ—তা সত্য নয়। দেশের পরিস্থিতি সম্পর্কে আমারও একটি সুস্পষ্ট ধারণা রয়েছে।

তারেক রহমান আরও বলেন, আমাদের মধ্যে মতপার্থক্য থাকতে পারে, সেটি স্বাভাবিক। বিভিন্ন বিষয়ে ভিন্নমত থাকলেও সেগুলো আলোচনার মাধ্যমেই সমাধান করা সম্ভব। পারস্পরিক আলোচনা ও বোঝাপড়ার মাধ্যমেই আমরা সামনে এগিয়ে যেতে চাই।

টি প্রশ্ন ও উত্তর

তারেক রহমান শিক্ষিত নারীদের কর্মসংস্থান বিষয়ে কী বলেছেন?

তিনি বলেছেন, বিএনপি ক্ষমতায় এসে সরকার গঠন করতে পারলে শিক্ষিত নারীদের জন্য টেকসই ও সম্মানজনক কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা নিতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

নারীদের কর্মসংস্থান নিয়ে বিএনপির পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য কী?

নারীদের শিক্ষা ও দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে তাদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করা এবং জাতীয় উন্নয়নে সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করাই মূল লক্ষ্য।

কোন খাতে শিক্ষিত নারীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে?

সরকারি ও বেসরকারি খাতের পাশাপাশি তথ্যপ্রযুক্তি, সেবা খাত, শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং উদ্যোক্তা উন্নয়নসহ বিভিন্ন খাতে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে।

এই উদ্যোগ বাস্তবায়নে কী ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে?

দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ, নীতিমালা প্রণয়ন, নারী-বান্ধব কর্মপরিবেশ নিশ্চিতকরণ এবং কর্মসংস্থান সহায়ক কর্মসূচি গ্রহণের মাধ্যমে উদ্যোগগুলো বাস্তবায়ন করা হতে পারে।

এই বক্তব্যটি কোথায় ও কবে দেওয়া হয়?

শনিবার (১০ জানুয়ারি) রাজধানীর বনানীর একটি হোটেলে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তারেক রহমান এই বক্তব্য দেন।

উপসংহার

উপসংহারে বলা যায়, শিক্ষিত নারীদের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা শুধু সামাজিক ন্যায়বিচারের বিষয় নয়, বরং দেশের টেকসই উন্নয়নের জন্যও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তারেক রহমানের বক্তব্যে নারীর শিক্ষা, দক্ষতা ও কর্মসংস্থানের মধ্যে একটি সুস্পষ্ট যোগসূত্র তুলে ধরা হয়েছে। যথাযথ নীতিমালা ও কার্যকর উদ্যোগের মাধ্যমে শিক্ষিত নারীদের কর্মক্ষেত্রে সম্পৃক্ত করা গেলে তারা যেমন অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হবে, তেমনি জাতীয় উন্নয়নেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top