সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে “সহকারী শিক্ষক নিয়োগ ২০২৫”–এর লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার দিনে কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের আওতাধীন সকল মাদরাসার প্রধানদের কোনো ধরনের পরীক্ষা গ্রহণ না করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা আগামী ২ জানুয়ারি ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ অনুষ্ঠিত হওয়ার দিন মাদরাসাগুলোতে কোনো ধরনের পরীক্ষা আয়োজন না করার জন্য দেশের সব মাদরাসা প্রধানদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিটি দেশের সব সরকারি ও বেসরকারি মাদরাসার অধ্যক্ষ ও সুপারদের কাছে পাঠানো হয়েছে।
মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগ থেকে প্রাপ্ত নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে— আগামী ২ জানুয়ারি ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দে (৩টি পার্বত্য জেলা ব্যতীত) দেশের বাকি ৬১ জেলায় কোনো নিয়োগ পরীক্ষা বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানভিত্তিক পরীক্ষা আয়োজন করা যাবে না। এ বিষয়ে বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশনের (বিপিএসসি) কাছে চিঠি পাঠানোর পাশাপাশি অন্যান্য সব মন্ত্রণালয়ের সচিবদের অনুলিপি দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।
এর পরিপ্রেক্ষিতে, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের “সহকারী শিক্ষক নিয়োগ ২০২৫”–এর লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার দিন কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের আওতাধীন সব মাদরাসায় কোনো ধরনের পরীক্ষা না নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট মাদরাসা প্রধানদের অনুরোধ জানানো হয়েছে।
নির্দেশনার বিষয় কি?
আগামী ২ জানুয়ারি ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের “সহকারী শিক্ষক নিয়োগ ২০২৫”–এর লিখিত পরীক্ষার দিন মাদরাসাগুলোতে কোনো ধরনের পরীক্ষা আয়োজন না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
কাদের জন্য নির্দেশনা প্রযোজ্য?
দেশের সব সরকারি ও বেসরকারি মাদরাসার অধ্যক্ষ ও সুপার।
কোনো অঞ্চল বাদ আছে কি?
৩টি পার্বত্য জেলা বাদে দেশের বাকি ৬১ জেলায় এই নির্দেশনা প্রযোজ্য।
নির্দেশনার আনুষ্ঠানিক প্রেরক কে?
মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তর এবং কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগ।
অতিরিক্ত করণীয় কি?
নির্দেশনা অনুযায়ী, বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন ও অন্যান্য সব মন্ত্রণালয়ের সচিবদের অনুলিপি পাঠাতে হবে।
উপসংহার
২ জানুয়ারি ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দে প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ ২০২৫–এর লিখিত পরীক্ষার সফল ও নিরবচ্ছিন্ন আয়োজন নিশ্চিত করার জন্য দেশের সব মাদরাসা প্রধানদের মাদরাসায় কোনো ধরনের পরীক্ষা বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানভিত্তিক কার্যক্রম না নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।





