পে স্কেলের প্রজ্ঞাপন দাবিতে কঠোর কর্মসূচি

পে স্কেলের প্রজ্ঞাপন দাবিতে কঠোর কর্মসূচি

আরও জানানো হয়েছে, দেশের বিভিন্ন জাতীয় ও বিভাগীয় সরকারি দপ্তরের পাশাপাশি আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও উক্ত কর্মসূচিতে অংশ নেবেন।

নবম পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন জারির দাবিতে রাজধানীতে প্রতিবাদ সমাবেশের কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদের শীর্ষ নেতারা। তারা জানিয়েছেন, এ কর্মসূচির পরও যদি প্রজ্ঞাপন জারি না করা হয়, তাহলে আগামীকাল শুক্রবার সংগঠনের পক্ষ থেকে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

বৃহস্পতিবার দৈনিক শিক্ষাডটকমকে এ তথ্য জানান সংগঠনের সমন্বয়ক ও সরকারি কর্মচারী সমিতির সভাপতি মো. হান্নান।

এদিকে সংগঠনের পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আগামীকাল শুক্রবার সকাল ১০টায় ঢাকার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে ‘নবম পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ ও জ্বালানি উপদেষ্টার বক্তব্য প্রত্যাহার’-এর দাবিতে প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, দেশের বিভিন্ন জাতীয় ও বিভাগীয় সরকারি দপ্তরের পাশাপাশি আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও এ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করবেন।

মো. হান্নান দৈনিক শিক্ষাডটকমকে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে নবম পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশের দাবি জানানো হলেও এ বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে এখনো কোনো কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি। এর ফলে সরকারি কর্মচারীদের মধ্যে ক্রমেই অসন্তোষ বাড়ছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, দ্রুত গেজেট প্রকাশ না হলে আন্দোলন আরও কঠোর কর্মসূচির দিকে অগ্রসর হবে। একই সঙ্গে তিনি সব সরকারি কর্মচারীকে প্রতিবাদ সমাবেশে উপস্থিত থাকার আহ্বান জানান।

কেন পে স্কেলের প্রজ্ঞাপন জারির দাবি তোলা হয়েছে?

দীর্ঘদিন ধরে নবম পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন জারি না হওয়ায় সরকারি কর্মচারীরা আর্থিক ও প্রশাসনিক অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছেন। এ কারণেই প্রজ্ঞাপন দ্রুত জারির দাবি জানানো হচ্ছে।

কোন সংগঠন এই কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছে?

বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদ এই আন্দোলন ও কঠোর কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছে।

কী ধরনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে?

প্রথম ধাপে প্রতিবাদ সমাবেশের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। দাবি পূরণ না হলে পরবর্তী সময়ে আরও কঠোর আন্দোলন কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে।

কারা এই কর্মসূচিতে অংশ নেবেন?

দেশের বিভিন্ন জাতীয় ও বিভাগীয় সরকারি দপ্তরের পাশাপাশি আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা কর্মসূচিতে অংশ নেবেন।

দাবি পূরণ না হলে কী করা হবে?

নবম পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন দ্রুত জারি না হলে আন্দোলন আরও বিস্তৃত ও কঠোর কর্মসূচির দিকে যাবে বলে সংগঠনের পক্ষ থেকে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।

উপসংহার

নবম পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন জারির দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের আন্দোলন ক্রমেই জোরালো হয়ে উঠছে। সংশ্লিষ্ট দাবির বিষয়ে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়া হলে এই আন্দোলন আরও কঠোর কর্মসূচিতে রূপ নিতে পারে। ফলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সরকারের পক্ষ থেকে সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত গ্রহণ এখন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top